মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮, ২০১৪

:: মোবাইলের নানা প্রকার স্ক্রীন সম্পর্কে জেনে নিন ::

আশা করি সবাই ভালো আছেন :)
              মোবাইলের বিজ্ঞাপনের সময় আমরা দেখি যে সেখানে মোবাইলের স্ক্রীন টাইপ লেখা রয়েছে। কিন্তু আমরা অনেকেই এই স্ক্রীন টাইপ সম্পর্কে তেমন একটা জানি না। তাই আজ আমি আপনাদের মোবাইলের বিভিন্ন ধরনের স্ক্রীনের নাম ও তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। নতুন মোবাইল যারা কিনতে চাইছেন তারা জেনে রাখতে পারেন। আশা করি কাজে লাগবে।

TFT LCD Display :
                এটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত স্ক্রীন টাইপ। পুরানো মডেলের মোবাইলগুলো থেকে শুরু করে কম বাজেটের স্মার্টফোনগুলোতেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। TFT এর পুর্নরুপ হলো Thin Film Transistor Technology. আর LCD এর পুর্নরুপ হলো Liquid Crystal Display. খারাপ কোয়ালিটির TFT LCD ডিসপ্লে যুক্ত মোবাইলে রঙ ফ্যাকাশে দেখাবে এবং স্ক্রীনের সাইড দিয়ে তাকালে অন্ধকার দেখা যাবে। ভাল কোয়ালিটির স্ক্রীন বেশি উজ্জ্বল হবে আর যেকোন দিক দিয়ে তাকালেই মোটামুটি পরিস্কার দেখা যাবে। সূর্যের আলোতে এই স্ক্রীনে পরিস্কার দেখতে অসুবিধা হয়। এ ধরনের ডিসপ্লেতে ব্যাটারীর খরচ বেশি হয় তবে এটি তৈরী করা যায় অনেক সস্তায়। তাই কম ও মাঝারী দামের সেটের এই ডিসপ্লে বেশি ব্যবহার করা হয়।

IPS LCD Display:
               IPS এর পুর্নরুপ হলো In-Plane Switching. এটি TFT LCD Display থেকে উন্নত। এই স্ক্রীনের ডিসপ্লে কোয়ালিটি ভালো এবং ব্যাটারী কম খরচ হয়। এটি সাধারন LCD থেকে বেশী দামের বলে বেশী দামের স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়।

OLED Display:
                 OLED এর পুর্নরুপ হলো Organic Light Emitting Diode. এটি LCD থেকে ভালো কোয়ালিটির মোবাইল স্ক্রীন। এই ডিসপ্লে অনেক উজ্জ্বল,কৌনিক দিক থেকে সহজেই দেখা যায় এবং বেশ হালকা।

AMOLED Display:
                AMOLED এর পুরোটি হলো Active Matrix Organic Light Emitting Diode. এই ডিসপ্লের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পিক্সেলগুলো নিজ থেকেই আলো তৈরী করতে পারে যার কারনে আপনি সূর্যের আলোতেও কোন সমস্যা ছাড়াই দেখতে পারবেন। OLED স্ক্রীনের মতই এর ডিসপ্লে অনেক উজ্জল,শার্প এবং হালকা। হাই কোয়ালিটির স্মার্টফোনগুলোতে এই স্ক্রীন এখন অনেক ব্যবহার করা হয়। Super AMOLED Display: এটি AMOLED ডিসপ্লে এর আধুনিক ভার্সন। স্যামসং এর গ্যালাক্সী স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়। এই ডিসপ্লে সবচাইতে হালকা ডিসপ্লে। এবং ব্যাটারীর খরচও আগের থেকে কম হয়। Super LCD (SLCD): এটি LCD স্ক্রীনের আধুনিকতম সংস্করন। এই ডিসপ্লেতেও সূর্যের আলোতে সহজেই দেখা যায়। এছাড়াও AMOLED স্ক্রীন থেকে রঙ আরো ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে।

Retina Display:
              এই স্ক্রিনটি শুধুমাত্র আইফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর নাম রেটিনা ডিসপ্লে বলা হয় কেননা মানুষের সাধারন চোখ দিয়ে পিক্সেলগুলোকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব নয়। এর ছবির কোয়ালিটি,শার্পনেস খুবই উন্নত মানের।

Gorilla Glass:
                গরিলা গ্লাস হলো alkali-alluminium যৌগের তৈরী শক্ত ও মজবুত ডিসপ্লে। এটি আপনার মোবাইলের স্ক্রীনকে দাগ,আচড়,ঘষা-মাজা এমনকি হাতুরীর শক্ত আঘাত থেকেও রক্ষা করবে। বর্তমানে Corning কোম্পানীর গরিলা গ্লাস বেশিরভাগ স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়।

Resistive Touchscreen:
                  এ ধরনের টাচস্ক্রীনে পর্দায় দুটি স্তর থাকে। প্রথম ও ২য় স্তরের মাঝে ফাকা স্থান থাকে। প্রথম স্তরে চাপ পড়ার ফলে মাঝের ফাকা অংশটি বেকিয়ে গিয়ে ২য় স্তরে চাপ পড়বে। এবং তারপর মোবাইলের প্রসেসরে সংকেত পাঠাবে। আর এভাবেই এই টাচ কাজ করে। Resistive Touchscreen আঙ্গুল বাদেও যেকোন কিছু দিয়ে টাচ করে ব্যবহার করা যায়। এতে স্ক্রীনে বেশি চাপ দিতে হয় এবং মাঝে মাঝে ঠিক জায়গামত চাপ পড়েনা। স্টাইলাস ব্যবহারের জন্য এই স্ক্রীন উপযোগী। Resistive Touch যেভাবে কাজ করে থাকে

Capacitive Touchscreen:
                এ ধরনের টাচ স্ক্রিনে শুধুমাত্র মানুষের হাতের স্পর্শের মাধ্যমেই কাজ করা যায়। এটির ডিসপ্লেতে স্পর্শ করার সাথে সাথেই ইলেক্ট্রোস্টাকিক ফিল্ড তৈরী হয় এবং দ্রুত প্রসেসরে সিগনাল পৌছানোর মাধ্যমে কাজ করে। Capacitive Touchscreen বেশি দামের আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি ব্যবহার আরামদায়ক। তবে মানুষের আঙ্গুল বা অংগ ব্যাতিত অন্য কিছু দিয়ে টাচ করা যায়না। আজ এ পর্যন্তই রইলো। আমার পোস্টটি কেমন হয়েছে জানাবেন। কোন ভুল থাকলে কমেন্টে বলবেন।

রবিবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৪

PC চালান Android ফোন দিয়ে(Display+Control)

কেমন হয় যদি টেবিলে থাকা কম্পিউটারটি লেপের মধ্যে থেকে Android ফোন দ্বারা পরিচালিত (Display+Control) করা যায়! নিশ্চই শীতের রাতে একটু উষ্ণ অনুভব হবে। আর এ কাজটি আমরা করতে পারি Virtual Network Computing (VNC ) দ্বারা। চলুন শুরু করা যাক – Computer: * আপনার Wi-Fi সম্বলিত PC এর জন্য এখান থেকে VNC Server (RealVNC) এবং এখান থেকে Activation key ডাউনলোড করে নিন। * ইন্সটল শেষে key দিয়ে অ্যাকটিভ করে নিন। * সব ঠিক থাকলে নিচের ছবির মত দেখাবে এবং আপনার PC এর IP address পাবেন (Internet connection Off থাকা অবস্থায়) -
Note: PC এর সাথে মোবাইল কানেক্ট করার জন্য PC তে Wi-Fi Hotspot তৈরি করতে হবে। এ জন্য Connectify ব্যবহার করতে পারেন। Mobile: * মোবাইলকে PC এর সাথে Wi-Fi দ্বারা কানেক্ট করুন। * Viewer download করে আপনার Android Mobile এ Install করে নিন।
* VNC Viewer ওপেন করে PC এর IP address এবং পছন্দমত নাম দিন।
* এবার Connect করুন।
* এবার আপনার PC এর UserName এবং Password দিয়ে OK করুন। এবং
* উপভোগ করুন -

সোমবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৩

অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালানো যায় তার নিয়ম...........

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। বর্তমানে symhony ও walton স্বল্প মুল্যে android পন্য বাজারে ছাড়ায় তরুনদের মাঝে এ সকল পন্য (স্মার্ট ফোন) কেনার হিড়িক পরে গেছে। স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধার মধ্যে একটি হচ্ছে apps ইউজ করার সুবিধা। আমরা সবাই কম্পিউটার এ ইন্টারনেট ব্যাবহার করি, কেউ ব্লুটুথ দিয়ে কেউ আবার মডেম দিয়ে, আজ আমি আপনাদের দেখাবে কিভাবে ব্লুটুথ/মডেম ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালানো যায় তার নিয়ম, তাহলে আসুন নিয়ম টা শিখে নিই। প্রথমে কেবল দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোন কে কম্পিউটার এর সাথে ডাটা ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত করে নিন। তারপর নিচের নিয়মগুলো ভাল করে অনুসরণ করি।
প্রথমে Media Device (MTP) এখানে টিক চিহ্ন দিন।
তারপর Settings>>Developer options> USB Debugging এর ফাকা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে সিলেক্ট করুন। এবার Settings>Wireless & Networks>Tethering & portable hotspot গিয়ে USB tethering টিক চিহ্ন দিয়ে দিন উপরের মত করে।
ব্যাস হয়ে গেল কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ, এবার ইচ্ছামত ইন্টারনেট ব্যবহার করুন কম্পিউটারে। আর হ্যাঁ একটি কথা আপনার সিমে কিন্তু মেগাবাইট থাকতে হবে না হলে কিন্তু হবে না।

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৩

কিয়ামতের আলামত সমূহ জেনে নিন

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই ,  আজ আমি আপনাদের কিয়ামতের আলামত সম্পর্কে জানাবো !! কিয়ামত এর আলামত কিয়ামত কখন বা কোন সময়ে ঘটবে, সে বিষয়ের জ্ঞান একমাত্র মহান আল্লাহর কাছেই রয়েছে। আর তাই তিনি (আল্লাহ্‌) পবিত্র কুরআনে বলেছেনঃ তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে? আপনি বলে দিন এর খবর তো আমার পালনকর্তার কাছেই রয়েছে। তিনিই তো অনাবৃত করে দেখাবেন নির্ধারিত সময়ে। (সূরা আরাফঃ ১৮৭) তবে, কিয়ামত অবশ্যই সংঘটিত হবে এ বিশ্বাস প্রত্যেক মুসলিমেকেই রাখতে হবে। যদিও মহান আল্লাহ্‌ কিয়ামতের নির্দিষ্ট সময় মানুষকে বলে দেননি, কিন্তু পবিত্র কুরআন ও হাদীসে এর বিভিন্ন নিদর্শন বা চিহ্ন বলে দেয়া হয়েছে। এই নিদর্শনগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। ১। আলামতে সুগরা বা ছোট আলামত। ২। আলামতে কুবরা বা বড় আলামত। আপনাদের জ্ঞাতার্থে কিয়ামতের ছোট ও বড় আলামত নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হল। আলামতে সুগরা বা ছোট আলামতঃ কেয়াতের ছোট ছোট আলামতগুলোর অন্যতম হলো- ১। এমন কিছু ঘটনা ঘটবে যা পূর্বে কখনো ঘটেনি এবং ঘটার কোন ধারণাই ছিল না। ২। অমুসলিমদের হাতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ সম্পদ আহরিত হবে। ৩। মানুষ তার বাসস্থানকে শিল্প কারুকার্জ দিয়ে সুশোভিত করাকে গুরুত্ব দিবে। ৪। জমিনের অংশসমূহ নিকটবর্তী হয়ে যাবে। ৫। শিক্ষায় বিপ্লব ঘটে যাবে কিন্তু দ্বীনি শিক্ষা সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যাবে। ৬। মহিলারা অশ্লীলতায় ডুবে যাবে। মহিলাদের সৌন্দর্য চর্চা কেন্দ্রের ব্যাপক বিস্তার ঘটবে। ৭। মহিলারা পুরুষের আকৃতি ধারণ করবে আর পুরুষ মহিলার আকৃতি ধারণ করবে। ৮। কিছু মুসলমান মদ পান করবে অন্য নামে। ৯। মানুষের মধ্যে সুদের ব্যাপক বিস্তার হয়ে যাবে। ১০। অভিনন্দন ও অভিবাদন মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে যাবে। ১১। জমিনের বিভিন্ন অংশে ভূমিকম্প বৃদ্ধি পাবে। ১২। হঠাত্ মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাবে আর হত্যা বৃদ্ধি পাবে। ১৩। মানুষ কথায় সুন্দর হবে, আর কাজে অসুন্দর হবে। ১৪। কন্যা সন্তানরা তার মাকে শাসন করবে এবং মায়ের অনুকরণীয় হবে। ১৫। বেপর্দা ব্যক্তিরাই সমাজের নেতৃত্ব দিবে। ১৬। সমাজের নিকৃষ্ট এবং রাখাল শ্রেণীর লোকেরা সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ করবে। ১৭। জগতের লোকেরা সুউচ্চ টাওয়ার নির্মাণে একে অপরে প্রতিযোগিতা করবে। ১৮। মানুষ তার সন্তানের চাইতে কুকুর লালন পালনকে বেশি প্রাধান্য দিবে। ১৯। নারীরা চুলের খোপা মাথার ওপরে এমনভাবে বাঁধবে যেন উটের পিঠের উঁচু জায়গার মতো দেখাবে। ২০। দুনিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা অতিদ্রুত ও সহজ হয়ে যাবে। ২১। সময় তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যাবে। ২২। দাসী ও সমাজের নিকৃষ্ট মেয়েরা যে সন্তান জন্ম দেবে সে সমাজের অন্যতম নেতা হবে। ২৩। অবৈধ জারজ সন্তানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে । ২৪। সমাজে সম্মানিত কুলীন ভদ্রলোকগুলো কোণঠাসা হয়ে যাবে আর নিকৃষ্ট অসম্মানী লোকগুলো বেপরোয়া সাহসী হবে। ২৫। বড়কে সম্মান করবে না। ছোটকে স্নেহ করবে না। ২৬। সমাজে নেতা নেতৃত্ব বেড়ে যাবে বিশ্বস্ততা কমে যাবে। ২৭। উলঙ্গ আর বেহায়াপনার প্রতিযোগিতায় নারীরা ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হবে। ২৮। জেনা ব্যাভিচার আর মদপান বেড়ে যাবে। ২৯। প্রকৃত আত্মীয়দের ছেড়ে বন্ধু-বান্ধবদের আতিথেয়তা বেড়ে যাবে। ৩০। সমাজে ফাসাদ দুর্নীতি ব্যাপক আকার ধারণ করবে। ৩১। অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতা নির্বাচিত হবে। ৩২। মসজিদগুলো চাকচিক্য ও জাঁকজমকপূর্ণ হবে। লোকেরা পরস্পর মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে। ৩৩। ঘন ঘন বাজার/মার্কেট নির্মিত হবে। ৩৪। সহজ সরল ব্যক্তিরা অবহেলার পাত্র হবে আর প্রতারকদের চালাক চতুর বলে প্রশংসা করা হবে। ৩৫। দুনিয়ার সম্মান ও সম্পদ অর্জনের জন্য ইসলামী জ্ঞান (ইলম) শিক্ষা ও প্রচার করা হবে। ৩৬। ইহুদী, খৃস্টানদের মত মুসলিমদেরও লক্ষ্য, উদ্দেশ্য হবে দুনিয়ার সম্পদ, সম্মান আর ক্ষমতা অর্জন। প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা, একটু ভাবে দেখুনতো উপরে বর্ণিত কিয়ামতের আলামতগুলো বর্তমানে দেখা যাচ্ছে কিনা। +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++ আলামতে কুবরা বা বড় আলামতঃ কিয়ামতের ছোট আলামতগুলো প্রকাশিত হয় গেলে হঠাত করেই কিয়ামতের বড় আলামতগুলো প্রকাশিত হতে শুরু করবে। রাসূল (সাঃ) বলেন, মালা ছিড়ে গেলে এর পুতিগুলো যেমন দ্রুত খসে পড়ে ঠিক সেভাবেই কিয়ামতের (বড়) আলামতগুলো একের পর এক প্রকাশিত হতে থাকবে। (তিরমিযী) কিয়ামতের বড় আলামতগুলো হচ্ছেঃ ১। দুখান (ধোঁয়া)। রক্তিম ধোঁয়া, যা পৃথিবীকে ঢেকে ফেলবে এবং যার প্রভাবে মুমিনদের সামান্য সর্দি-কাশির মত অবস্থা হবে আর কাফেরদের জন্য যা হবে ভয়াবহ আযাব। ২। দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ। ৩। হযরত ঈসা (আঃ) এর অবতরন। ৪। ইয়াজূজ-মাজূজ। ৫। পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়। ৬। দাব্বাতুল র্আ‌দ (প্রাণীবিশেষ যা মাটি ভেদ করে বের হবে)। ৭। তিনটি ভূধ্বস, একটি পূর্ব প্রান্তে, একটি পশ্চিম প্রান্তে আরেকটি জাযীরাতুল আরবে। ৮। আর শেষটি হচ্ছে, ইয়ামান থেকে একটি আগুন বের হবে যা মানুষকে হাশরের ময়দানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে। (মুসলিম)